ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভার মিরাকান্দা এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের জনভোগান্তির অবসান ঘটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) লন্ডনপ্রবাসী সমাজসেবক ও নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান, চেয়ারম্যান, বেগম শিরিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থার, উদ্যোগে সড়কটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুকুরপাড় সংলগ্ন সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। পাশেই একটি মসজিদ ও মাদ্রাসা থাকায় মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শিশু, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং অসুস্থ রোগীদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হতো। সড়কটি সংস্কারের ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হয়েছে এবং যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, মো. মাসুদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নগরকান্দার বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। করোনা মহামারির সময় খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা, জনসচেতনতামূলক পোস্টারিং ও দেয়াল লিখন, প্রতিবছর শীতবস্ত্র বিতরণ, বন্যার্ত ও অসহায় মানুষের সহায়তা, রমজান ও ঈদে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সহযোগিতা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান, বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, নগরকান্দা শহরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ এবং সর্বস্তরের মানুষের জন্য বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনাসহ নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন।
সড়ক সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর লন্ডন থেকে এক ভিডিও বার্তায় মো. মাসুদুর রহমান এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি সব সময় আপনাদের পাশে আছি এবং সারাজীবন পাশে থাকব। মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে নগরকান্দার উন্নয়নে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাব এবং মানুষের জন্য আরও বেশি সহযোগিতা করতে পারব। তবে নির্বাচিত না হলেও জনসেবার এই কার্যক্রম থেমে থাকবে না। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকব। যে কোনো সমস্যায় আমাকে জানালে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”
সড়ক সংস্কারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এলাকাবাসী বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত থাকলে পৌর এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে। তারা ভবিষ্যতেও এমন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

