Category: জাতীয়

  • ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ

    ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সিরাজগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, সিরাজগঞ্জে মো. সাইফুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গায় মো. শরীফুজ্জামান এবং সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

    প্রজ্ঞাপন বলা হয়, নতুন জেলা পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    নিয়োগ করা প্রশাসকরা আইন অনুযায়ী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া তারা বিধি অনুযায়ী বেতন–ভাতা পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিউইয়র্ক থেকে দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। 

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছান।

    বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদসহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা।

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী  পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবময় অর্জন।তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

    তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মর্যাদা, কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার বহিঃপ্রকাশ।আমি বিশ্বাস করি, তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা জাতিসংঘের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ফলপ্রসূ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে তার সফলতা ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনে খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয়তাবিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেজ কাকাউরিস। সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দুই প্রার্থীকে ভোট দেন। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে একশ ৯০টি। খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯ ভোট এবং সাইপ্রাসের কাকাউরিস পেয়েছেন ৯১ ভোট। আট ভোটের ব্যবধানে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়েছেন খলিলুর রহমান।

    দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এই পদে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।

  • সীমান্তে পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

    সীমান্তে পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক অবৈধভাবে পুশইনের ১০টি পৃথক অপচেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বিজিবি।

    ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা প্রদান করে। তারা পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।

    মহেশপুরের সামন্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একটি প্রিজন ভ্যানে করে প্রায় ৩০-৩৫ জন ব্যক্তিকে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল ও স্থানীয় জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ উক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় ভ্যানে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

    বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশে সীমান্তের কাছে অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

    জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে ১৪৯ ও ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ ক্যাম্পের নিকটবর্তী ৩টি হোল্ডিং সেন্টারে এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়া ৪ নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়।

    পঞ্চগড়ের ব্যাটালিয়নের (১৮ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ রওশনপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ১ ব্যক্তিকে পুশইন করা হলে স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে বিজিবিকে অবহিত করে। পরবর্তীতে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠায়।

    সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়।

  • মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর মুখ খুললেন দীপেন দেওয়ান

    মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর মুখ খুললেন দীপেন দেওয়ান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। এক বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের উদ্দেশ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    বুধবার (৩ জুন) রাত ৯টার ফেসবুক একাউন্টের টাইমলাইনে প্রদত্ত এক বার্তায় তিনি লিখেন, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে আমার পদত্যাগকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি গভীরভাবে অবগত রয়েছি।

    আমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল পাহাড়ি, বাঙালি এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি যে, আপনারা শান্ত থাকুন, ধৈর্য ধারণ করুন এবং আইন-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন। কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখুন।

    আমি বিশ্বাস করি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আমাদের সবার। এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও আমাদের সবার। পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকল জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় হোক- এটাই আমার প্রত্যাশা।

    আমি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি যে, আমার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা। আমি দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি।

    আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আমার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা। আমি জীবনের অবশিষ্ট সময়ও এই প্রিয় দল, এর আদর্শ এবং দেশের জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে যেতে চাই। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমি দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও অঙ্গীকার অটুট রাখব। এই দল আমি কখনো ত্যাগ করব না।

    আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যক্তি নয়, জনগণের কল্যাণই সবচেয়ে বড় বিষয়। তাই আমি পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগণের কাছে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। মত-পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিভেদ নয়, প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, কিন্তু সংঘাত নয়। আমার একান্ত কামনা, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক, উন্নয়নের সুফল ভোগ করুক এবং এই অঞ্চল সম্প্রীতি, স্থিতিশীলতা ও শান্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে উঠুক।

    পরিশেষে বলতে চাই- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নেতৃত্বের প্রতি আমি  পূর্ণ আস্থাশীল, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে চাই। আমি আবারো দীপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করছি- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আমার শেষ ঠিকানা।

    সকলের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল। সবার আগে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

  • মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করবেন ড. খলিলুর রহমান

    মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করবেন ড. খলিলুর রহমান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে দেওয়া পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার রক্ষায় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে রে দাঁড়াতে পারেন বলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন চলছে।

    বুধবার (৩ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, ড. খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকবেন কি না সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    শামা ওবায়েদ বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে যদি নিবেদিতভাবে ওনার এই কাজটা করতে হয় (জাতিসংঘের সভাপতির কাজ) তাহলে ওখানে (জাতিসংঘে) সময়টা দিতেই হবে। তার মানে এই নয় যে, উনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। এটা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি, এটা ওনাদের দুজনের (প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী) সিদ্ধান্তে হবে।

    বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ড. খলিলুর রহমানের এই বিজয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাবের সুস্পষ্ট প্রতিফলন হিসেবে দেখছে দল ও সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল। আর আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দেশের এই উদীয়মান ভাবমূর্তি ধরে রাখতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ড. খলিলুর রহমানকে পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালন করতে দিতে চায় সরকার ও বিএনপির হাইকমান্ড। সেজন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে ‘আপাতত’ তাকে সরিয়ে রাখতেও দ্বিধা করবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সরকারের একটি সূত্র জানায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভোটে বিজয়কে খুব ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সাফল্য বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পদে নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা নয় বরং এটি বহুপাক্ষিক কূটনীতি, শান্তি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দেশের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই গৌরবোজ্জ্বল মাইলফলক অর্জনের পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সীমিত সময়ে বাংলাদেশের সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতাও মূল ভূমিকা পালন করেছে বলে সরকার মনে করছে।

    সূত্র আরও, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নির্বাচনের জন্য মাত্র তিন মাসের মতো সময় অবশিষ্ট ছিল। সেই সীমিত সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিয়ে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে বিজয়ের ব্যাপারে জোরালো আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২ জুন) সদস্য দেশগুলোর প্রত্যক্ষ ভোটে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ আসনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছিলেন ৯১ ভোট। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন ড. খলিলুর রহমান।

    এর আগে, গত ১৩ মে বুধবার বিকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ৮১তম সাধারণ পরিষদের সেশনে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেন তিনি ড. খলিলুর রহমান। ওই সেশনে দেয়া বক্তব্যেও তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে একজন ‘পূর্ণকালীন প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

    লিখিত বক্তব্যে ছয়টি পরিকল্পনার প্রস্তাব তুলে ধরে ড.খলিল জাতিসংঘ সনদ সমুন্নত রাখা, ছোট প্রতিনিধিদলগুলোর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয়া এবং মতপার্থক্যের মধ্যেও ঐকমত্যের ভিত্তি খুঁজে বের করার চেষ্টার প্রতিশ্রুতি দেন।

    সভাপতি নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সামগ্রিক পদ্ধতির পক্ষে কথা বলবেন। পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থায়নের ঘাটতি, ঋণের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি জলবায়ু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ‘ক্ষয়ক্ষতি’ তহবিলকে সমর্থন এবং জীববৈচিত্র্য ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মানবাধিকার ব্যবস্থা সমুন্নত রাখা, মানবিক পরিসর রক্ষা এবং শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের সহায়তার ওপর জোর দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিচক্ষণ ও ন্যায়সংগত শাসনের আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে জাতিসংঘের সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

  • প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

    প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ‘অভিযোগ নিষ্পত্তি ও নিরসন সেল’ গঠন করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিষয়টি জানান।
    আদেশ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব/যুগ্মসচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এ সেল গঠন করা হয়েছে।
    মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এ আদেশ আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এই অভিযোগ সেলে প্রবাসীরা তাদের অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
    হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের অভিযোগ জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া যুক্ত করা হবে।
    সেলের অন্য সদস্যরা হলেন- কল্যাণ অধিশাখার যুগ্মসচিব/উপসচিব, আইন শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব, সেবা ও প্রটোকল শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব এবং এনফোর্সমেন্ট-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব। এনফোর্সমেন্ট-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
    অফিস আদেশে বলা হয়, minister@probashi.gov.bd এবং minister.expat@gmail.com ই-মেইল ঠিকানায় প্রাপ্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই সেল।
    এছাড়া প্রাপ্ত আবেদন ও অভিযোগ এবং সেগুলোর বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা দৈনিক বা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
  • শিগগিরই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে

    শিগগিরই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে খুব শিগগিরই মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন মুখ। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমাতে দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্তও আসছে একইসঙ্গে।

    সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রগুলো বলছে, তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের একজন তরুণ এমপির নাম বেশ আলোচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।

    পাশাপাশি নরসিংদী থেকে আরও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। এছাড়া নেত্রকোনা থেকে একজন এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন নারী এমপির নাম মন্ত্রী হিসেবে বেশ আলোচনা রয়েছে।

    বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার একজন সিনিয়র বিএনপি নেতাকেও তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় শিগগিরই দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, খুলনা, ঢাকা ও বৃহত্তর পাবনা জেলা থেকেও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন কয়েকজন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

    সেসঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে।

    এদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    দীপেন দেওয়ান সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে সরকার ও প্রশাসনে।

    দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৫০ সদস্যের। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

    প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাগ্রহনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জুনের তৃতীয় সপ্তাহে কুয়ালালামপুর সফরের প্রস্তুতি চলছে। এর পরপরই ভারত কিংবা চীন সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে, যদিও ওই সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সফরে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। এ ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠকেও বসবেন সরকারপ্রধান।

    নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বোঝার ক্ষেত্রে এই দুই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, প্রথম সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়; এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর কূটনৈতিক বার্তাও।

    কূটনৈতিক মহল বলছে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকা সময়ে একটি মধ্যম শক্তির দেশের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ শুরু করা বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক ও ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে কোনো নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক বলয়ের প্রতি ঝুঁকে পড়ার ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে।

    বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন খাতে কর্মরত আছেন। নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং সেবা খাতে তাঁদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সফরে শ্রম অভিবাসন, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং শ্রমিকদের কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশ্লেষকেরা মনে করেন, মালয়েশিয়া সফরের পর চীন সফর আয়োজনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। একদিকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, অন্যদিকে এশিয়ার বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দুই ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকার বার্তা দিতে চায় ঢাকা।

    নতুন সরকারের ঘোষিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়গুলো রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আসন্ন সফরগুলোকে কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

  • পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

    পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    পবিত্র হজ পালন শেষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে গত ২২ মে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

  • মশা মারা শিখতে আমেরিকা নয়, সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে দাঁড়াতে মেয়রকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

    মশা মারা শিখতে আমেরিকা নয়, সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে দাঁড়াতে মেয়রকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাব নিয়ে ব্যতিক্রমী মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মশক নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচজন কর্মকর্তার মশক নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের একটি প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সফরটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান Valent BioSciences LLC-এর অর্থায়নে হওয়ার কথা ছিল।

    প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হলে এ বিষয়ে মতামত প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বলা হয়, ‘মশক নিধন শেখা বা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশেই সন্ধ্যার পর যে কোনো ডোবার পাশে দুই-তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশক নিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।’