Category: জাতীয়

  • বাজেট ২০২৬-২৭: কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম

    বাজেট ২০২৬-২৭: কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশীয় শিল্প সুরক্ষা, সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ রপ্তানিতে উৎসাহ দিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে করছাড়ের ছড়াছড়ি থাকছে।

    সঙ্গে থাকছে ভ্যাট ও শুল্ককর ছাড়। এবারে ইলেকট্রনিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

    এই খাতে বেশি ছাড় দেওয়া হতে পারে। আগামী অর্থবছর থেকে করছাড় সুবিধা ২০৩০ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দেওয়া হতে পারে।

    দেশে তৈরি এসি, ফ্রিজ, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, সৌর বিদ্যুৎ, ইলেকট্রিক গাড়ি, ই-বাইক, দেশে তৈরি ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মনিটর, মোবাইলফোনের দাম কমতে পারে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানায়, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র আমদানিতে শুল্ককর প্রত্যাহার হতে পারে। এতে দেশের বাজারে থাকা বাদ্যযন্ত্রের দাম কমতে পারে। দেশে উৎপাদিত টেলিভিশন, এসি, ফ্রিজ ও হাউজহোল্ড পণ্যের ভ্যাট কমিয়ে সাত দশমিক ৫০ শতাংশ করা হতে পারে।

    দেশীয় এসব ইলেকট্রনিক পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ককর ছাড় দেওয়া হতে পারে। এসব পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে অব্যাহতি সুবিধা আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।

    দেশীয় ইলেকট্রনিক পণ্যের বাজার আরও সম্প্রসারণ করতে সরকার এ খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারের উদ্দেশ্যে, ইলেকট্রনিক পণ্য রপ্তানি করা। সেজন্য দেশীয় শিল্পের বিকাশে এই খাতের ভ্যাট কমানো, শুল্ককর অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ওষুধ তৈরির ৬৮ ধরনের কাঁচামাল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার হতে পারে। এটিএম কার্ডসহ সব ধরনের কার্ড তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে আগাম কর প্রত্যাহার হতে পারে। হার্টের রিং ও চোখের লেন্স এর ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হতে পারে।

    সৌর বিদ্যুতের একটি উপাদান হলো ব্যাটারি, সেজন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে করছাড় ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

    এছাড়া সৌর বিদ্যুতের সব ধরনের উপকরণ আমদানিতে শুল্ককর ২০৩০ সাল পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। আবার সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০৩৫ সাল পর্যন্ত করমুক্ত করা হতে পারে। সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বিল পরিশোধে ৫ শতাংশ রেয়াত বা অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।

    সেমি কন্ডাক্টর খাতের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ককর অব্যাহতির সুবিধা ২০৩০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হতে পারে। টাগবোট আমদানিতে শুল্ককর কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। ১৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) প্রত্যাহার হতে পারে।

    মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্চুয়ারি আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। বালাইনাশক উৎপাদনের ৩৬ ধরনের কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহার হতে পারে। প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল সরবরাহের ওপর উৎসে কর কমিয়ে ৩ শতাংশ হতে পারে। লোশন, ফেস ক্রিম, ফেসওয়াশ আমদানিতে কেজি প্রতি শুল্ক কমিয়ে ৭ ডলার করা হতে পারে।

    ১১৩ পণ্যের ওপর আরোপিত তিন শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহার হতে পারে। দেশীয় ভোজ্যতেল উৎপাদনে করছাড় সুবিধা আরও ১০ বছর অব্যাহত রাখা হতে পারে। লিপস্টিক আমদানিতে কেজি প্রতি শুল্ক কমিয়ে ৩০ ডলার হতে পারে। স্থানীয় ইলেকট্রিক গাড়ি ও ই-বাইক উৎপাদনে কর রেয়াত সুবিধা দেওয়া হতে পারে।

    এছাড়া ইলেকট্রিকি গাড়ির রেজিস্ট্রেশনে অগ্রিম আয়কর দুই লাখ টাকা থেকে কমিয়ে গাড়ির কিলোওয়াট অনুযায়ী ২৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা করা হতে পারে। সৌর বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার কমলে আমদানি জ্বালানি তেলের ওপর চাপ কমবে।

    স্বর্ণ বিক্রিতে পাঁচ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রিতে দাম অনুযায়ী ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হয়। তবে পাঁচ শতাংশের পরিবর্তে ভরিপ্রতি নির্দিষ্ট হারে দুই হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। মোবাইল সিমের ৩০০ টাকা কর বাতিল হতে পারে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্ডার আমদানিতে ৫ শতাংশ আগাম কর প্রত্যাহার হতে পারে।

    নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকার সব ধরনের করছাড় দিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে মৌলিক কৃষি ও ভোগ্যপণ্য যেমন- ধান, চাল, গম, আল, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোগ্যতেল, বীজসহ ৬০টি পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা হতে পারে।

    এসব নিত্যপণ্যের ওপর ভোক্তা পর্যায়ে কোন ভ্যাট নেই। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ব্যবহৃত ১৫টি আমদানি করা পণ্যের অগ্রিম কর কমিয়ে ১ থেকে ২ শতাংশ হতে পারে। কম্পিউটার, প্রিন্টার, পোর্টেবল অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিন, ফ্ল্যাশ মেমোরি, কম্পিউটার মনিটর আমদানিতে অগ্রিম কর কমিয়ে ২ শতাংশ হতে পারে।

    এছাড়া দেশে উৎপাদিত ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মনিটর, মোবাইল এর ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা ২০৩০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হতে পারে। তবে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মনিটর ইত্যাদি আমদানিতে শুল্ককর বাড়তে পারে।

    স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ২২টি কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম কর কমিয়ে কমে ১ শতাংশ হতে পারে। পরিবহণ, ক্যারিং ও গাড়ি ভাড়ার উৎসে কর কমছে। তেলবীজ ব্যবহার করে ভোজ্যতেল উৎপাদন ব্যবহার করহার আগামী ১০ বছর পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।

    ফ্রুটব্যাগ আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। ফ্লোট গ্লাসের ৫ ধরনের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ হতে পারে। সিনথেটিক ওভেন ফেব্রিক্সের ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার হতে পারে। সার ও কীটশাকের ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হতে পারে।

    ক্যানসারের ৯ ধরনের ওষুধ আমদানিতে কর রেয়াত সুবিধা দেওয়া হতে পারে। আমদানি করা শিশু খাদ্যের দাম কমতে পারে। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সব ধরনের ভ্যাট এবং কর প্রত্যাহার করা হতে পারে। মেট্রোরেলকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।

    সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে প্রতিমাসের পরিবর্তে ৩ মাস অন্তর অন্তর ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। তবে প্রতিমাসে ভ্যাট জমা দিতে হবে।

  • সরকারের ৮ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শীর্ষ পদে রদবদল

    সরকারের ৮ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শীর্ষ পদে রদবদল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে উপসচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব এবং সহকারী সচিব পদমর্যাদার ৮ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার। সোমবার (৯ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, গত ১০ মে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের তিনজন উপসচিবকে স্থানীয় সরকার বিভাগে ন্যস্ত করা হলেও তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এ কারণে তাদের আগামী ১১ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে বদলি বা পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে ১১ জুন অপরাহ্নে তারা বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য হবেন।

    এ তালিকায় রয়েছেন আঞ্চলিক লোক প্রশাসন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. দিদারুল আলম। তাকে ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শেখ ছাদেককে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিজু ফেরদৌসী বেগমকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

    একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. ফিরোজ মাহমুদকে। তাকে বদলি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তাকেও আগামী ১১ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন দায়িত্বস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় একই দিন তিনি ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য হবেন।

    অন্যদিকে পৃথক এক আদেশে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সিনিয়র সহকারী সচিব) নয়ন কুমার রাজবংশীকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    এ ছাড়া সহকারী সচিব (ক্যাডার বহির্ভূত) পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তারও দপ্তর পরিবর্তন করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দীন শামীমকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সহকারী সচিব, ক্যাডার বহির্ভূত) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে একই মন্ত্রণালয়ে সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ ইউনিটের সহকারী পরিচালক মো. একরামুল হককে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

  • বাংলাদেশ-রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার

    বাংলাদেশ-রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মস্কোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সোমবার মস্কোয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সম্পন্ন হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি বর্তমানে রাশিয়ায় অবস্থান করছেন।

    বৈঠকে সের্গেই লাভরভ ড. খলিলুর রহমানকে ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বাস্তবমুখী ফলাফলের অপেক্ষায় আছি।” তিনি জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করতে এবং বৈশ্বিক বিষয়াদিতে এর কেন্দ্রীয় ভূমিকা সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টায় রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন। লাভরভ আরও উল্লেখ করেন যে, “উভয় দেশই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছে” এবং আগামী জানুয়ারিতে দুই দেশের সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকী বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে উদযাপিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দুই দেশের স্থিতিশীল সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের দু’দেশের মধ্যে স্থিতিশীলভাবে রাজনৈতিক সংলাপ বিকশিত হচ্ছে।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন, বিশেষ করে স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্ত করতে সোভিয়েত নৌবাহিনীর অবদানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বাণিজ্য, শিক্ষা, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতে আমাদের সম্পর্কের সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে এবং আমরা এই ক্ষেত্রগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে চাই।” রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দুই দেশের বর্ধমান অংশীদারিত্বের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে তিনি প্রকল্পটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে ২০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মস্কো এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী বলে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন। এক দশক ধরে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি ও কারিগরি খাতে যে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

  • ‘ছায়া বাজেট’ দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী

    ‘ছায়া বাজেট’ দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। এবার ‘ছায়া বাজেট’ দিচ্ছে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। এর আগে জোট শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছায়া বাজেট উপস্থাপন করেছিল।

    দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এই ছায়া বাজেট উপস্থাপন করা হবে।

    জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সংবাদ সম্মেলনে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ছায়া বাজেট উপস্থাপন করবেন। এ সময় দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

    এর আগে গত ৫ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পৃথকভাবে একটি ছায়া বাজেট উপস্থাপন করে। ওই প্রস্তাবে দেশের অর্থনীতিকে ১২টি খাতে ভাগ করে মোট ৭১টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

  • নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

    নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) পরিদর্শন করেন।

    সোমবার (৮ জুন ২০২৬) রাজধানীর আগারগাঁও-তে অবস্থিত স্পারসো পরিদর্শন করেন তিনি।

    প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পারসোতে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন ও স্পারসো এর চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মো. রাশিদুল ইসলাম। এ সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্পারসোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পারসোর বিভিন্ন বিভাগসমূহ ঘুরে দেখেন। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাকে সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ তাদের উদ্ভাবিত ও গবেষণাকৃত কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষার সাথে স্পেস এবং রিমোট সেন্সিং-এর সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। মহাকাশ গবেষণা এবং রিমোট সেন্সিং (দূর অনুধাবন) প্রযুক্তিকে কীভাবে দেশের প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তায় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে জোর দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    তিনি মহাকাশে বাংলাদেশের তৈরি নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া, সীমান্ত পর্যবেক্ষণ, কৌশলগত মানচিত্র তৈরি এবং ভূ-স্থানিক বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে স্পারসোর ভূমিকা বৃদ্ধি করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পারসোর সংগৃহীত স্যাটেলাইট ডেটা এবং গবেষণালব্ধ তথ্যগুলো যাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর বিভিন্ন অপারেশনাল ও গবেষণামূলক কাজে আরও দ্রুত ও সহজে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করেন। স্যাটেলাইট ইমেজ প্রসেসিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং রিমোট সেন্সিংয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগুলো স্পারসোতে যুক্ত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কারিগরি সক্ষমতা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    বাংলাদেশ যেহেতু প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ একটি দেশ, তাই ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা খরার মতো দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা পেতে এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে আরও নিখুঁতভাবে কাজে লাগানোর নির্দেশনা প্রদান করেন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ফসলের অবস্থা, মাটির আর্দ্রতা, বনাঞ্চল এবং পানিসম্পদ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সরকারকে সঠিক ডেটা সরবরাহ করার বিষয়ে তাগিদ দেন। তিনি স্পারসো এর ডাটাসমূহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে সরবরাহ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    পরিদর্শন শেষে স্পারসোর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করা হয়। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা স্পারসোকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখতে সক্ষম এমন একটি স্বনির্ভর মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কাজ করা নির্দেশনা দেন।

  • রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান

    রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বেগবান করতে আজ সোমবার (৮ জুন) মস্কোতে বৈঠকে বসছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের আমন্ত্রণে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

    ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। সফরসূচিতে রাশিয়ান ফেডারেশনের ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ফেডারেশন কাউন্সিলের নেতৃত্বের সঙ্গেও একটি বৈঠক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    রাশিয়া ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদার। ১৯৭২ সালে রাশিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি ছিল। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা থেকে ডুবে যাওয়া জাহাজ ও মাইন অপসারণেও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা ছিল।

    বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ ও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত বছর চীনের বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ায় রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও মুহাম্মদ ইউনূস এর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। রাশিয়া বাংলাদেশে প্রধানত শিল্প সরঞ্জাম, গম ও খনিজ সার রপ্তানি করে, আর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও সামুদ্রিক পণ্য আমদানি করে।

    সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। এর প্রথম ইউনিট ইতোমধ্যে উৎপাদনে এসেছে এবং দ্বিতীয় ইউনিট চলতি বছরের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া জ্বালানি খাতে গ্যাজপ্রমের প্রকল্প, গ্যাস অনুসন্ধান এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে রাশিয়া ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ১৮৫টি বৃত্তি বরাদ্দ করেছে।

  • ১১ জেলার সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

    ১১ জেলার সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় বিজিবি সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যরা।

    সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক (গণসংযোগ) মো. আশিকউজ্জামান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সঙ্গে ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় সীমান্ত এলাকায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

    এর ফলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকর হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন ও নিরাপত্তাগত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।

    বর্তমানে সীমান্তবর্তী ১১টি জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, সিলেট, জামালপুর ও খাগড়াছড়িতে উপজেলা, থানা আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

    এছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল সরবরাহের লক্ষ্যে আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদেরও প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

    আনসার-ভিডিপির এই সম্পৃক্ততা জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিজিবির কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

    একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধ এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে উঠছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

  • মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সহকারী একান্ত সচিবদের (এপিএস) বেতন বাড়িয়েছে সরকার। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদার নিয়োগকৃতদের এপিএসরাও এই বাড়তি বেতন পাবেন।

    এপিএসদের নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    চিঠিতে জানানো হয়েছে, সরকারি চাকরির বাইরে থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদারসহ) এপিএস এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের অভিপ্রায়ে নিযুক্ত তাদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে অর্থাৎ ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসরা এত দিন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা মূল বেতনে নিয়োগ পেতেন। অনেক সময় কোনো কোনো এপিএসের বেতন নবম গ্রেডে বেশ কয়েকটি ইনক্রিমেন্ট যোগ করে নির্ধারণ করা হতো।

    বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় উপদেষ্টাদের এপিএসদের নিয়োগ বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে তাদের বেতন নবম গ্রেডের সর্বোচ্চ ধাপে অর্থাৎ ৫৩ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছিল।

    মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসদের বেতন গ্রেড নির্ধারণের বিষয়ের মতামত চেয়ে গত ৩১ মার্চ অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এপিএসদের নতুন বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ বলেছে, এপিএসদের মূল বেতন ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারিত। কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। তারা বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতা পাবেন। কোনো প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

    এই মূল বেতন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএস নিয়োগ দেওয়া হয়। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। কোনো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এপিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিলে তিনি এই বেতন গ্রেডের আওতাভুক্ত হবেন না।

  • বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ

    বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (৮ জুন)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের আমলে এটাই প্রথম সীমান্ত সম্মেলন।

    ডিজি পর্যায়ের এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডাই থাকবে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হবে

    সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ‘পুশ-ইন’ ইস্যু। কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নারী-শিশুসহ বহু মানুষকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় একের পর এক পুশ-ইনের অবৈধ চেষ্টা ব্যর্থ হলেও ঘটনাগুলো দুদেশের সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সীমান্তে ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহারের কারণে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এবারের সীমান্ত সম্মেলন থেকে নয়াদিল্লিকে কড়া বার্তা দিতে চায় বিজিবি।

    বিজিবি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের ঘটনা ও অপরাধমূলক কার্যক্রমের ফিরিস্তি তুলে ধরা হবে এবারের সীমান্ত সম্মেলনে।

    এ ব্যাপারে বিজিবি সদর দপ্তরের উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম বলেন, ডিজি পর্যায়ের এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডাই থাকবে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হবে।

    তিনি বলেন, এছাড়াও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারতের ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহার, মাদকসহ চোরাচালান, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন, স্থায়ী সীমান্ত পিলার স্থাপন এবং আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধসহ গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বৈঠকে তুলে ধরবে বিজিবি। থাকবে ভারতীয় গণমাধ্যমে সীমান্তকেন্দ্রিক উসকানিমূলক মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদও।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, পুশ-ইন ইস্যু এখন শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয় নয়; এটি মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। আর সেই কারণেই সীমান্তের জিরো লাইনে আটকে থাকা কয়েকশ মানুষের গল্প এখন দুদেশের সম্পর্কের একটি বড় পরীক্ষায় রূপ নিয়েছে।

  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ কম্পন অনুভূত হয়।

    বিস্তারিত আসছে…