Category: সারাদেশ

  • সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

    সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ির সিনিয়র সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সারাদেশে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে এক বিক্ষোভ মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    ​আগামীকাল (৮ জুন)সোমবার সকাল ১১:০০ টায় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরজেইউ) ও রাঙ্গামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।​কর্মসূচি সফল করতে রাঙ্গামাটিতে কর্মরত সকল প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মাধ্যমের সাংবাদিকদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এদিকে, আজ টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আজকের জরুরি সভায় উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিকে বেগবান করার জন্য সকল সদস্যের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই সাথে আগামীকালকের মানববন্ধনে বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে।

    নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান করা হয়।

  • রামুতে পারিবারিক বিরোধের জেরে পুত্রের গুলিতে পিতা নিহত

    রামুতে পারিবারিক বিরোধের জেরে পুত্রের গুলিতে পিতা নিহত

    কক্সবাজার প্রতিনিধি 

    কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের গুলিতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    নিহত ব্যক্তি হলেন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ধেচুয়াপালং তেলখোলা এলাকার মৃত আমিন মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আয়াছ (৬৫)। অভিযুক্ত তার আপন বড় ছেলে মো. জুবায়ের (৩৭), যাকে স্থানীয়রা ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জুবায়ের তার পিতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মো. আয়াছ গুরুতর আহত হন।

    স্বজনরা তাকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তার অবস্থার অবনতি দেখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে তিনি মারা যান।

    ঘটনার পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুত্রের হাতে পিতার মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনায় তারা স্তম্ভিত। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং ঘটনার সঙ্গে ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    এলাকার সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ঘটনা সামাজিক অবক্ষয়ের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “পিতাকে গুলি করার ঘটনাটি আমরা জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জুবায়ের পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে

  • বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাঁধা,প্রধান ফটকে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

    বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাঁধা,প্রধান ফটকে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

    প্রতিনিধি শরীয়তপুর

    শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলা সদরের ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কর্মকারকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

    রোববার সকালে বিদ্যালয়ের ফটকে কয়েকজন তরুন তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেন। এরপর মারধর করে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকসায় উঠিয়ে দেয়া হয়। আহত ওই শিক্ষককে তার স্বজনেরা চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

    ডামুড্যা থানা ও বিদ্যালয় সূত্র জানায়,ডামুড্যা উপজেলা সদরে ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত। প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুজিৎ কর্মকার ২০১৩ সালে সেখানে নিয়োগ পান। দুই বছর আগে স্থানীয় একটি পক্ষর সাথে তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই পক্ষটি তার বিরুদ্ধে ছাত্রীদের হেনস্তা করার অভিযোগ তোলেন। ওই বিরোধের জেরে ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কর্মকারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে।ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই বছর ১৮ সেপ্টেম্বরের পর আর তিনি বিদ্যালয়ে যাননি। বিভিন্ন ভাবে ছুটি কাটিয়ে যাচ্ছিলেন।

    রোববার সকালে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকসা যোগে প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কর্মকার বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে যান। অটোরিকসা থেকে নামার পর কয়েকজন তরুন তাকে মারধর করতে থাকেন। আবার কয়েকজন তরুন তাকে অটোরিকসায় উঠিয়ে দেন। তখন আরো কয়েকজন তরুন তাকে অটোরিকসার ভেতরে মারধর করছেন। ওই শিক্ষককে মারধরের এমন দৃশ্য স্থানীয় কয়েকজন মানুষ ভিডিও ধারন করে রাখেন।

    ওই অটো রিকসা যোগে সুজিৎ কর্মকার প্রথমে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে যান। নিরাপত্তার অভাব বোধ করে সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আসেন। পরে স্বজনেরা তাকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

    শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ফারহানা ডেইজি জানান,সুজিৎ কর্মকার নামের এক ব্যক্তিকে আমরা ভর্তি করেছি। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করা হয়েছে। মুখোমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলে গেছে। আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি।

    ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিৎ কর্মকার বলেন,২০২৪ সালে সরকার পতনের পর ডামুড্যার একটি মহল আমাকে নানা ভাবে হুমকী দিয়ে আসছিল। বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন ওই পক্ষটিকে মদদ দিতেন। নিরাপত্তার অভাবে আমি দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে যেতে পারছিলাম না। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাতে জানিয়ে রোববার বিদ্যালয়ে যাই। ওই চক্রর সদস্যরা বিদ্যালয়ের গেটে আমাকে বেদম মারধর করেছেন। আমি চিকিৎসা শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেব।

    ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন,আমাদের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক তাকে বাঁধা দিয়েছেন। বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেননি এমন শুনেছি। আমার সাথে প্রধান শিক্ষকের কোন বিরোধ নেই। কেন তিনি এসবের জন্য আমাকে দায়ী করছেন তা বুঝতে পারছি না।
    ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধর করা হয়েছে এমন অভিযোগ পেয়েছি। ওই শিক্ষক এখনো লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সালাউদ্দিন আইয়ূবী বলেন,স্থানীয় কিছু ঝামেলার কারনে প্রধান শিক্ষক দুই বছরের মত সময় ধরে বিদ্যালয়ে আসতে পারছিলেননা। তিনি বিভিন্ন ধরনের ছুটিতে ছিলেন। আজ বিদ্যালয়ে আসার সময় বিদ্যালয়ের গেটে তাকে মারধর করা হয়েছে এমন তথ্য তিনি ফোন করে আমাকে জানিয়েছেন। খবর পেয়ে আমি সেখানে পুলিশ পাঠাই। তিনি মৌখিক ভাবে এখনো লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ দেয়ার পর আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

  • দামুড়হুদায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালী, আলোচনাসভা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা

    দামুড়হুদায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালী, আলোচনাসভা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা

     

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে উপলক্ষে র‍্যালী, আলোচনাসভা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার বিকাল ৪ টার দিকে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত “Sustainable Microenterprise andড় Resilient Transformation (SMART)” প্রকল্পের আওতায়, সহযোগী সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত “ Promotion of Value Added Fruits for Sustainable Growth and Instituting RECP Practices” উপ-প্রকল্পের উদ্যোগে গো- গ্রীণ সেন্টার কোলাঘাটায় এই র‍্যালী, আলোচনাসভা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

    সঞ্চালনায় ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশন এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক সোহরাওয়ার্দী শুভ।

    ওয়েভ ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক জহির রায়হান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গার উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম, ওয়েভ ফাউন্ডেশন এর সহকারী পরিচালক নির্মল দাস, সিনিয়র সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুজ্জোহা পলাশ।

    তিনটি পরিবেশ ক্লাবের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উক্ত অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।

    আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দ পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের’ আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন

    অনুষ্ঠান শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • রাঙ্গামাটিতে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটিতে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

     রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ার – এর কম্প্রেহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগামের আয়োজনে রবিবার ( ৭ জুন) সকাল ১১ টায় কাপ্তাই কর্ণফুলি সরকারি কলেজ সংলগ্ন কর্ণফুলি রেস্টুরেন্টে এই কর্মশালা এবং অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাপ্তাই, রাঙ্গুনিয়া, রাজস্থলী এবং বিলাইছড়ি উপজেলার প্রিন্ট্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ অংশ নেন।

    চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং কর্শালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন । এসময় তিনি বলেন, কম্রেহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগাম এর মাধ্যমে দূর্গম অঞ্চলে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষজন উপকৃত হচ্ছে। এছাড়াও নারী- পুরুষের সমতা ও তাদের অধিকার নিশ্চিত এবং নারীদের ক্ষমতায়নে সাংবাদিকদের বিশেষ ভুমিকা পালন করার আহবান জানান। হিল ফ্লাওয়ার এর সহকারী কর্মসূচী ব্যবস্থাপক জেনিফার অজন্তা তনচংগ্যার সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান এবং চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এর কম্রেহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগামের প্রোগাম ম্যানেজার বিজয় মারমা।

    এসময় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সভাপতি কবির হোসেন, রাজস্থলী প্রেসক্লাবের সভাপতি আজগর আলী খান, কাপ্তাই প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবির, রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ নাসির, রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আব্বাস উদ্দিন আফতাব, সদস্য জগলুল হুদা, বিলাইছড়ি উপজেলার পূর্বকোণ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, ওয়াগ্গা ইউনিয়ন এর মাঠ পর্যায়ের কর্মী ক্রোম্রাচিং মারমা এবং পপি তনচংগ্যা।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্প বিষয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন হিল ফ্লাওয়ার এর ব্যবস্থাপক( অর্থ ও প্রশাসন) সনজিৎ তনচংগ্যা। কর্মশালায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো পাহাড়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।তারমধ্যে চন্দ্রঘোনা খ্রীস্ট্রীয়ান হাসপাতাল এবং হিলফ্লাওয়ার সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন আসছে যা দৃশ্যমান।

  • ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    বগুড়া প্রতিনিধি

    ৬দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। রবিবার (৭ জুন) সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তারা।

    মানববন্ধনে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) সভাপতি নিয়ামুল বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি অঘোষিত নোটিশের বিরুদ্ধে আজকের এই কর্মবিরতি। ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশের সকল মেডিকেলের ইন্টার্ন একসাথে কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

    আমাদের ভাতা ৩০ হাজার টাকায় এবং মিড লেভেল ট্রেইনি ডাক্তারদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বিসিপিএস-এর পরীক্ষার ফি কমানো এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক এবং আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এগুলো বাস্তবায়ন করুক। এসময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাফিউন জান্নাত ও ইন্টার্ন চিকিৎসক উপমাসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

    মানববন্ধনে ৬দফা দাবির তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো-স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনা বাতিল, বিএমইউ ও বিসিপিএস-এর ভর্তি পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে আনা, নতুন পে-স্কেলের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৯ম গ্রেডের সমপর্যায়ে উন্নীতকরণ এবং প্রতি মাসে তা যথাসময়ে প্রদান, অবিলম্বে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সাধারণ প্রার্থীদের চেয়ে ২ বছর বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা এবং শ্রম আইন ২০০৬-এর যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা।

    মানবন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেন, আমাদের পেশাটি মূলত সেবামূলক। আমরাও চাই না বারবার রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলতে। হাসপাতালে যেকোনো রোগীর ক্ষেত্রে ফার্স্ট ডিফেন্স হিসেবে আমরাই প্রথম চিকিৎসাসেবা দিই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে প্রতিনিয়ত দেশের কোনো না কোনো মেডিকেল কলেজে আমরাই হামলার শিকার হচ্ছি। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর নিরাপত্তা আইন করা হয়নি।

    তারা বলেন, যদি মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নেয়। তবে দেশব্যাপী সমন্বিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • বগুড়ায় পৃথক ডাকাতির ঘটনায় চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

    বগুড়ায় পৃথক ডাকাতির ঘটনায় চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

     

    বগুড়া প্রতিনিধি 

    বগুড়ার নন্দীগ্রাম ও শিবগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার (৬ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় বগুড়া জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া শাবলা এলাকার আসলাম সাকিদার (২৭), তালোড়া ভেলুরচক এলাকার জিয়ারুল ইসলাম (৪৬), তালোড়া নওদাপাড়া এলাকার জুয়েল প্রামানিক (২৪), শিবগঞ্জের রহবল পশ্চিমপাড়া এলাকার সাইদুর মন্ডল (৩৬) এবং কাহালুর প্রতাপপুর এলাকার আঃ ওহাব (২৮)।

    জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে আসলাম ও জুয়েল পেশাদার ডাকাত। গত বছরের ১৭ অক্টোবর দুপচাঁচিয়ার তালোড়া বাজারে এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা ও ডাকাতির ঘটনার মূল হোতা ছিলেন এই জুয়েল ও আসলাম। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন তাঁরা। মাত্র ৪ মাস পর জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও তাঁরা ডাকাতি চক্র গড়ে তোলেন।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, গত ১২ মে রাত ২টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার বীরপলি ফকিরপাড়া গ্রামের মোঃ রশিদুল আলমের বাড়িতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল প্রবেশ করে। তারা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে একটি মোটরসাইকেল, স্বর্ণালংকার, টেলিভিশন, মোবাইল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় মামলা হলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় ছায়াতদন্ত শুরু করে ডিবি পুলিশ।

    শুক্রবার (৫ জুন) ডিবি পুলিশ কাহালু, দুপচাঁচিয়া ও সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসলাম সাকিদার, জিয়ারুল ইসলাম ও সাইদুর মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মোটরসাইকেল, একটি বাটন মোবাইল ও নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও জানান, গত ৩১ মে রাত ২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ দহপাড়া গ্রামের জিয়াউল হকের বাড়িতে একই কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা গৃহকর্তাকে মারধর ও রক্তাক্ত জখম করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও স্মার্টফোনসহ মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে। এঘটনায় শুক্রবার (৫ জুন) ডিবির একই দল শিবগঞ্জ ও কাহালু থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়েল প্রামানিক ও আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাঁদের কাছে থেকে লুণ্ঠিত সাড়ে ৭ আনা স্বর্ণালংকার এবং কিছু ইমিটেশনের গহনা উদ্ধার করা হয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে জুয়েল প্রামানিকের বিরুদ্ধে ১০টি, আসলাম সাকিদারের বিরুদ্ধে ৫টি, সাইদুর মন্ডলের বিরুদ্ধে ২টি এবং জিয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১টি মামলা রয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে দোকানের জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

    রোববার (৭ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী (ছোট গোষ্ঠী) পক্ষের জুবায়েরের সঙ্গে বাদৈর বাড়ির (বড় গোষ্ঠী) জয়নাল মিয়ার একটি দোকানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দোকানটি ছোট গোষ্ঠীর শিরো মিয়া পরিচালনা করে আসছিলেন।

    স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ চারদিন আগে অনুষ্ঠিত এক গ্রাম্য সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

    এরই জের ধরে রোববার সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হলে টেঁটা, বল্লম ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন টেঁটাবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন।

    খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • হামে কুমিল্লায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু

    হামে কুমিল্লায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুর নাম সিমরান (৬ মাস)। সে কুমিল্লা নগরীর নুরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শিমুল মিয়ার কন্যা। এই সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে সিমরানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিয়া মঞ্জুর আহমেদ।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের নিয়মিত ও সময়মতো টিকা গ্রহণ না করানো এবং অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণেই মূলত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আগের তুলনায় বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৩০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    সিভিল সার্জন কার্যালয় ও চিকিৎসকরা শিশুদের সময়মতো হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি শিশুদের শরীরে তীব্র জ্বর, ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ, কাশি কিংবা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • টেকনাফে র‍‍্যাব-১৫ এর অভিযানে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    টেকনাফে র‍‍্যাব-১৫ এর অভিযানে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

     

    কক্সবাজার প্রতিনিধি 

    কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

    রবিবার (৭ জুন) র‌্যাব-১৫ এর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি মো. আফছার (২৭)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার বদিউর রহমানের ছেলে।

    র‌্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আফছার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানায় ২০১৫ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় আদালত আফছারকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি এবং আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।