Category: খেলাধুলা

  • না ফেরার দেশে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার

    না ফেরার দেশে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্ব ফুটবলকে কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিলেন ব্রাজিলের ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম মহানায়ক ও কিংবদন্তি ডিফেন্ডার ব্রিতো। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা এই সেন্টার ব্যাকের মৃত্যুর খবরটি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। তবে ব্রিতোর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সিবিএফের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। 

    ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সিতে ৬১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ব্রিতো। ১৯৭০ সালে মেক্সিকোর মাটিতে পেলের নেতৃত্বাধীন ব্রাজিলের যে দলটি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলের রক্ষণভাগের মূল ভরসা ছিলেন তিনি। রক্ষণভাগে উইলসন পিয়াজার সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন দুর্ভেদ্য এক জুটি। ১৯৭০ সালের অবিস্মরণীয় সেই বিশ্বকাপ ছাড়াও ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন এই তারকা।

    ব্রিতোর মতো এক মহান ফুটবলারকে হারিয়ে শোকগ্রস্ত ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশন। সিবিএফ সভাপতি সামির জাউদ এক আবেগঘন বিবৃতিতে বলেন, ‘ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে ব্রিতো আমাদের ছেড়ে গেলেন। ১৯৭০ বিশ্বকাপ জয়ে তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

    বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ব্রাজিলের হয়ে ১৯৭১ সালে কোপা রোকা এবং ১৯৭২ সালে তাসা ইন্ডিপেনদেন্সিয়াও জিতেছিলেন ব্রিতো। এই তারকার অবদান উল্লেখ করে সামির জাউদ আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের এই মহান তারকাকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। তার লড়াকু মানসিকতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

    পেলে, তোস্তাও, রিভেলিনোদের সতীর্থ ব্রিতোর বিদায়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল। ফুটবল মাঠের এই লড়াকু সৈনিক ট্রফি জয়ে যেমন অবদান রেখেছিলেন, তেমনি রেখে গেলেন কোটি ভক্তের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

  • ৩ লাল কার্ডের উত্তেজনাকর ম্যাচে জয় দিয়ে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ শুরু

    ৩ লাল কার্ডের উত্তেজনাকর ম্যাচে জয় দিয়ে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ শুরু

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ জিতে অভিযান শুরু করল দলটি। তবে এই ঐতিহাসিক জয় ও গোলের পাশাপাশি পুরো ম্যাচে ছড়িয়েছিল তুমুল উত্তেজনা; যেখানে দুই দলের খেলোয়াড়দের আচরণের কারণে রেফারিকে মোট তিনটি লাল কার্ড ব্যবহার করতে হয়েছে।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেক্সিকো প্রথমার্ধেই বেশ কয়েকটি গোল করার মতো সুযোগ তৈরি করে। খেলার তৃতীয় মিনিটে রাউল হিমিনেজের একটি জোরালো শট দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রোনেন উইলিয়ামস ঠেকিয়ে দেন। তবে গোল পেতে মেক্সিকোকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি; ৯ম মিনিটে হুলিয়ান কিনিয়োনেসের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। ১৯তম মিনিটে কিনিয়োনেস এবং প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ব্রায়ান গুটিয়েরেজ ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ মিস করলে ১-০ গোলের ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হয়।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের দৃশ্যপটে নাটকীয় বদল আসে এবং ৫০তম মিনিটে পেনাল্টি বক্সের মাথায় ফাউল করে আসরের প্রথম লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে। দশ জনের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে থাকা মেক্সিকো ৬৬তম মিনিটে মাঠে নামায় গিলবার্তো মোরাকে, যিনি মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার রেকর্ড গড়েন। এর ঠিক এক মিনিট পরেই অর্থাৎ ৬৭তম মিনিটে রাউল হিমিনেজ গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন।

    ম্যাচের শেষ দিকে খেলোয়াড়দের মধ্যে ফাউল করার প্রবণতা ও উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। ৮৪তম মিনিটে মেক্সিকোর খেলোয়াড়কে আক্রমণ করতে গিয়ে ফাউল করে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক মিডফিল্ডার থেম্বা জেওয়ানে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। তবে মেক্সিকোও সম্পূর্ণ ম্যাচটি ১১ জন নিয়ে শেষ করতে পারেনি; ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে ফাউল করে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখলে শেষ পর্যন্ত তিন লাল কার্ডের নাটকীয় এই ম্যাচের সমাপ্তি ঘটে।
  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    মিরপুরে লেখা হলো বাংলাদেশের ক্রিকেটের আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে পাওয়া ১৯২ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। এই জয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

    প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে জয় মানেই সিরিজ নিশ্চিত। সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি মেহেদী হাসান মিরাজের দল। বৃষ্টি, ভেজা আউটফিল্ড, ডিএলএসের নতুন লক্ষ্য, মাঝপথে উইকেট হারানোর চাপ সব সামলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।

    মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শুরু হয়েছিল ধ্বংসস্তূপ দিয়ে। স্কোরবোর্ডে কোনো রান ওঠার আগেই ৩ উইকেট নেই। সেই জায়গা থেকে মার্নাস লাবুশেন ও জেভিয়ার বার্টলেট অস্ট্রেলিয়াকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেও শেষ হাসি বাংলাদেশেরই। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে নির্ধারিত ৪১ ওভারে ১৯২ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ পেরিয়ে যায় ৩৫ ওভারেই। অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

    এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের জন্য এটি বড় এক অর্জন। ঘরের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বোলিং, ব্যাটিং ও ম্যাচ শেষ করার দক্ষতা তিন জায়গাতেই নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

    টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ওভারেই ম্যাথু শর্টকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান ফেরান কুপার কনোলিকে। একই ওভারে ম্যাট রেনশকেও আউট করেন বাঁহাতি পেসার। কোনো রান তোলার আগেই ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

    ৭.৩ ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিও ফেরেন মোস্তাফিজের বলে। তখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৪ উইকেটে ২৫। শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় বাংলাদেশের হাতে। পরে অধিনায়ক জশ ইংলিস কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ৩৮ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩৪ রান। তাঁকে ফিরিয়ে দেন তানভীর ইসলাম।

    এরপর ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে ইনিংস গুছানোর চেষ্টা করেন লাবুশেন। গ্রিন ৫০ বলে ২৫ করে তানভীরের বলে ফিরলেও অস্ট্রেলিয়ার আসল লড়াই শুরু হয় সপ্তম উইকেটে। লাবুশেনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন বার্টলেট। দুজন মিলে ১০০ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলেন।

    লাবুশেন ৮৫ বলে ৩ চারে অপরাজিত থাকেন ৫৫ রানে। বার্টলেট খেলেন পাল্টা আক্রমণের ইনিংস। ৪৮ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৫২ রান। শেষ দিকে তাসকিন বার্টলেট ও অ্যাডাম জাম্পাকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রান আটকে দেন। বৃষ্টির কারণে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থামে ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রানে।

    বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ৭ ওভারে ২ মেডেনসহ ২৭ রানে নেন ৩ উইকেট। তাসকিন আহমেদ ৮ ওভারে ৩৩ রানে নেন ৩ উইকেট। তানভীর ইসলাম নেন ২ উইকেট।

    বৃষ্টি বিরতির পর বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২। রান তাড়ায় শুরুটা বাংলাদেশেরও ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তানজিদ হাসান ফিরে যান কোনো রান না করে। তবে এরপর সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ রানের ভিত গড়ে দেন।

    সৌম্য ৪৭ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪২ রান। শান্তর ব্যাট থেকেও আসে ৫৩ বলে ৪২ রান। দুজনের জুটিতে চাপ কমে যায় বাংলাদেশের। তবে ৮৬ থেকে ১২২ রানের মধ্যে সৌম্য, শান্ত ও লিটন দাস ফিরে গেলে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফেরে। লিটন ১৮ বলে ২১ রান করেন।

    মোসাদ্দেক হোসেন ১৪ বলে ১৫ রানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেলেন। তবে শেষ কাজটা করেন তাওহিদ হৃদয় ও অধিনায়ক মিরাজ। হৃদয় এক প্রান্ত ধরে রাখেন, মিরাজ অন্য প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ম্যাচ শেষ করে আসেন। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৫১ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

    হৃদয় ৫৫ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। মিরাজ ২২ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৩৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৫ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বার্টলেট, ম্যাট রেনশ, রাইলি মেরেডিথ, অ্যাডাম জাম্পা ও ক্যামেরন গ্রিন একটি করে উইকেট নেন।

    ম্যাচসেরা হন মোস্তাফিজুর রহমান। নতুন বলে তাঁর দুই ওভারই অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচের শুরুতে ছিটকে দেয়। তাসকিনের সঙ্গে তাঁর পেস আক্রমণই তৈরি করে দেয় বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি। ব্যাট হাতে সেই কাজ শেষ করেন সৌম্য, শান্ত, হৃদয় ও মিরাজ।

  • বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখবেন যেভাবে

    বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখবেন যেভাবে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দীর্ঘ অপেক্ষার পর আজ পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপের। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে মেক্সিকো সিটিতে, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের আগে। বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য ম্যাচটি যেমন রাতজাগা আয়োজন, তেমনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও দেখা যাবে রাতেই।

    মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে। এরপর রাত ১টায় শুরু হবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ, যেখানে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

    বাংলাদেশ থেকে টেলিভিশনে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখা যাবে সময় টিভি, বিটিভি ও টি স্পোর্টসে। যারা মোবাইল, ল্যাপটপ বা স্মার্ট টিভিতে দেখতে চান, তাদের জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে থাকছে টফি ও বায়োস্কোপ।

    অর্থাৎ টিভি দর্শকরা নির্ধারিত চ্যানেলে গিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও ম্যাচ দেখতে পারবেন। আর মোবাইল বা ল্যাপটপে দেখতে চাইলে টফি বা বায়োস্কোপ অ্যাপ অথবা ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে। স্মার্ট টিভিতে অ্যাপ সাপোর্ট থাকলে সেখান থেকেও দেখা যেতে পারে।

    এবারের বিশ্বকাপে একটি নয়, তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থাকছে। তিন আয়োজক দেশ মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে আলাদা অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। প্রথম অনুষ্ঠানটি হচ্ছে মেক্সিকোতে। পরে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রেও নিজেদের উদ্বোধনী আয়োজন হবে।

    মেক্সিকোর অনুষ্ঠানে দেশটির সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য ও সংগীতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে শাকিরা, বার্না বয়, জে বালভিনসহ একাধিক আন্তর্জাতিক শিল্পীর পারফর্ম করার কথা রয়েছে। উদ্বোধনী আয়োজন শেষে মাঠে নামবে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

    বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য তাই আজ রাতের সূচি পরিষ্কার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, রাত ১টায় প্রথম ম্যাচ। টিভিতে সময় টিভি, বিটিভি ও টি স্পোর্টস; আর অনলাইনে টফি ও বায়োস্কোপেই দেখা যাবে বিশ্বকাপের শুরুর আয়োজন।

  • জমজমাট ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু আজ

    জমজমাট ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু আজ

     স্পোর্টস ডেস্ক 

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আসর ফিফা বিশ্বকাপের। ফুটবল ইতিহাসের বৃহত্তম এই মহাযজ্ঞ যৌথভাবে আয়োজন করছে উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৪) এবং মেক্সিকো (১৯৭০ ও ১৯৮৬) বিশ্বকাপ আয়োজন করলেও, কানাডার জন্য এবারই প্রথম বিশ্বমঞ্চের আয়োজক হওয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে ৩৯ দিনব্যাপী এই আসরে সর্বমোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ম্যাক্সিকোর ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকায় (আজটেকা স্টেডিয়াম) ম্যাক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা। আর ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বযুদ্ধের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকছে

    বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে আয়োজিত হবে। এই প্রথমবারের মতো একটি বিশ্বকাপ তিন দেশে সমান্তরালভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে।

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম তিনটি আয়োজক দেশে সমান্তরালভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিটি অনুষ্ঠান শুরু হবে সংশ্লিষ্ট আয়োজক দেশের উদ্বোধনী ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে। তিনটি অনুষ্ঠান আলাদা হলেও এগুলো একটি অভিন্ন থিমের মাধ্যমে যুক্ত থাকবে যেখানে ফুটবলের মাধ্যমে মানুষকে সীমান্ত পেরিয়ে একত্রিত করার বার্তা তুলে ধরা হবে।

    অনুষ্ঠানগুলোর প্রযোজক হিসেবে দায়িত্বে আছেন মার্কো বালি। তিনি একাধিক অলিম্পিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি শো আলাদা বৈশিষ্ট্য বহন করলেও সবগুলোই ফুটবলের ঐক্যের বার্তার সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

    প্রতিটি দেশ নিজেদের সংস্কৃতি ও ভিজ্যুয়াল পরিচয় তুলে ধরবে

    কানাডা: ‘কালচারাল মোজাইক’ বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য

    মেক্সিকো: ঐতিহ্যবাহী ‘পাপেল পিকাডো’ শিল্প

    যুক্তরাষ্ট্র: ‘ঝলমলে, উজ্জ্বল’ কাপ থিম

    ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘বিশ্বকাপের সূচনা এমন একটি মুহূর্ত, যা পুরো বিশ্ব একসঙ্গে ভাগ করে নেয়। মেক্সিকো সিটি থেকে শুরু হয়ে টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসে এই অনুষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠিত হবে, যা সংগীত, সংস্কৃতি ও ফুটবলের এক অভিন্ন উদ্‌যাপন হবে।’

    সময় ও স্থানভিত্তিক আয়োজন

    মেক্সিকো সিটি (১১ জুন)

    মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে স্বদেশীয় সংস্কৃতি, আধুনিক লোকশিল্প এবং ‘পাপেল পিকাডো’ প্রদর্শিত হবে। এতে শাকিরা, জে বালভিন, মানা, লিলা ডাউনসসহ আরও অনেক আন্তর্জাতিক সংগীতশিল্পী অংশ নেবেন।

    টরন্টো (১২ জুন)

    কানাডার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান টরন্টো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এখানে দেশটির বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক মিশ্রণ তুলে ধরা হবে। এতে পারফর্ম করবেন আলানিস মরিসেট, মাইকেল বুবলে, এলেসিয়া কারা, জেসি রেইজস, নোরা ফাতেহি, সঞ্জয়সহ অনেকে। এটি কানাডার জন্য ঘরের মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে।

    লস অ্যাঞ্জেলেস (১২ জুন)

    যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে। এতে থাকবে বৃহৎ ভিজ্যুয়াল শো এবং কেটি পেরি, ফিউচার, আনিতা, এলএলএ ও রেমার মতো প্রমুখ শিল্পিদের পারফরম্যান্স। প্রতিটি অনুষ্ঠানের পর মাঠে খেলোয়াড়দের ওয়ার্ম-আপ, প্রি-ম্যাচ অনুষ্ঠান এবং আনুষ্ঠানিক কিক-অফ প্রোটোকল সম্পন্ন হবে।

    মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠান প্রায় ১৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড, আর টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষ্ঠান প্রায় ১৩ মিনিট করে চলবে।

     

  • বিশ্বকাপ শুরুর আগে জেনে নিন চমকপ্রদ ৫ তথ্য

    বিশ্বকাপ শুরুর আগে জেনে নিন চমকপ্রদ ৫ তথ্য

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষার প্রহর প্রায় শেষের পথে। এবারের আসরটি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্যই নয়, বরং বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক ও ব্যতিক্রমী ঘটনার কারণেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। নতুন ফরম্যাট, নতুন দল এবং নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনায় ভরপুর এই বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা।

    চলুন আসন্ন টুর্নামেন্ট সম্পর্কে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ও চমকপ্রদ তথ্য জেনে নেওয়া যাক

    ১. বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি দল অংশ নিতে যাচ্ছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে যেখানে ৩২টি দল খেলেছিল, সেখানে ২০২৬ সালের আসরে অংশ নেবে ৪৮টি দল। নতুন এই কাঠামোয় ১২টি গ্রুপ থাকবে এবং প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি করে দল। দলসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ম্যাচের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগের আসরে ৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলেও এবার সেই সংখ্যা দাঁড়াবে ১০৪-এ। ফলে বিশ্বকাপের সময়কালও বাড়ানো হয়েছে এবং পুরো টুর্নামেন্ট প্রায় ৩৯ দিন ধরে চলবে।

    ২. আয়োজক দেশ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এবার তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাস। প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা একসঙ্গে এই বিশাল আয়োজনের দায়িত্ব পালন করবে। এর আগে বিশ্বকাপ এক বা দুই দেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলেও তিন দেশের যৌথ আয়োজনে এটিই প্রথম বিশ্বকাপ।

    ৩. এবারের বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়ে নতুন এক রেকর্ড গড়েছে কুরাসাও। মাত্র প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার জনসংখ্যার এই ক্যারিবীয় দেশটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের অনেক শহরের চেয়েও ছোট এই দেশটি এখন বিশ্বের সেরা ফুটবল শক্তিগুলোর বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পাবে। তাদের এই সাফল্য ছোট দেশগুলোর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

    ৪. দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে দুটি নাম ডিআর কঙ্গো ও হাইতি। দুই দেশই সর্বশেষ ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর কেটে গেছে পাঁচ দশকেরও বেশি সময়। অবশেষে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে তারা সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা এই দুই দলের প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে এবারের আসরের অন্যতম আবেগঘন ঘটনা।

    ৫. বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে চারটি দেশের জন্য একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান এবং উজবেকিস্তান ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশ নিতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, পরিকল্পনা এবং উন্নয়নের ফল হিসেবে তারা এই সাফল্য অর্জন করেছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলো সাধারণত বাড়তি উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামে, যা অনেক সময় বড় দলগুলোর জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

    সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ ২০২৬ শুধু আরেকটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়; এটি হতে যাচ্ছে নতুন ইতিহাস, নতুন রেকর্ড এবং নতুন স্বপ্নের এক মহোৎসব। বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত শক্তিগুলোর পাশাপাশি নতুন ও উদীয়মান দলগুলোর উপস্থিতি এবারের আসরকে আরও বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় করে তুলবে। ফুটবলপ্রেমীরা তাই আশা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে তারা উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এক আসর।

  • নেইমারকে নিয়ে স্বস্তির খবর দিলো ব্রাজিল

    নেইমারকে নিয়ে স্বস্তির খবর দিলো ব্রাজিল

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে পানামা ও মিসরের বিপক্ষে খেলতে পারেননি নেইমার। মাংসপেশীর চোট ভুগছিলেন তিনি। তবে বিশ্বকাপ যতই ঘনিয়ে আসছে, তাকে নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছিল। অবশেষে পাওয়া গেল স্বস্তির খবর। কাফ ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় বেশ ভালো অগ্রগতি হয়েছে তার, এমনটাই জানিয়েছে ব্রাজিল।

    গত মাসের স্ক্যানে ধরা পড়েছে, গ্রেড টু মাত্রায় পেশী ছিড়ে গেছে নেইমারের। ব্রাজিলের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্য সাইডলাইনে যেতে হয়েছে।

    গতকাল সোমবার আরেকটি স্ক্যান করানো হয়েছে ৩৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দিয়েছে, ‘পরীক্ষায় তার চিকিৎসায় প্রত্যাশিত সীমার মধ্যে ভালো অগ্রগতি দেখা গেছে। তিনি ব্রাজিল জাতীয় দলের মেডিকেল স্টাফদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আরোগ্য ও শারীরিক প্রস্তুতির প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন।’

    আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এই সময়ের মধ্যে ফিট হওয়ার লড়াই করছেন নেইমার।

     

  • বিশ্বকাপে খেলতে মরিয়া নেইমার, চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার

    বিশ্বকাপে খেলতে মরিয়া নেইমার, চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সময়ের সঙ্গে দৌড়াচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। ডান পায়ের কাফ ইনজুরি থেকে দ্রুত সেরে উঠতে এবার তিনি ব্যবহার করছেন নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত বিশেষ এক যন্ত্র। এই আধুনিক পুনর্বাসন পদ্ধতিই তার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে।

    ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এসপোর্তে জানিয়েছে, নেইমারের পুনর্বাসনে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল’। গত শনিবার তিনি এই বিশেষ ট্রেডমিলে অনুশীলনও করেছেন। নাসার প্রযুক্তি থেকে তৈরি এই যন্ত্র শরীরের আংশিক ওজন কমিয়ে দেয়। ফলে দৌড়ানোর সময় ইনজুরিগ্রস্ত পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে না এবং খেলোয়াড় তুলনামূলক নিরাপদভাবে অনুশীলন করতে পারেন।

    এই ধরনের প্রযুক্তি গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে ক্রীড়াবিদদের পুনর্বাসনে ব্যবহার হচ্ছে। ব্রাজিলের কিছু ক্লাবও এখন তাদের মেডিকেল সেন্টারে এই প্রযুক্তি যুক্ত করেছে।

    নেইমারের ফিটনেস নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো চলমান মেডিকেল পরীক্ষা। সোমবার (৮ জুন) তার শরীরের ইমেজিং পরীক্ষা আবার করা হবে। এই পরীক্ষার ফলের ওপরই নির্ভর করছে তার পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা এবং বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার মাঠে নামার সম্ভাবনা।

    চিকিৎসকরা সবুজ সংকেত দিলে তাকে ধাপে ধাপে বল নিয়ে অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে তিনি মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না।

    ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, তিনি নেইমারের পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী। তবে দলের মেডিকেল স্টাফ এখনো তাকে পুরোপুরি ফিট ঘোষণা করেনি। ফলে ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

    ব্রাজিল দল ও সমর্থকদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা এখন নেইমারের ফিটনেস। হেক্সা মিশনে নামার আগে তার সুস্থতা নিশ্চিত করতেই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেলেসাও ম্যানেজমেন্ট। পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর এখন তার মেডিকেল রিপোর্টের দিকে শেষ পর্যন্ত কি নেইমার মাঠে ফিরতে পারবেন, সেই উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই।

  • বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি হলেন তামিম

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি হলেন তামিম

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে ঢাকার ক্লাব থেকে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর এবার পরিচালকদের ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল।

    এর আগে, নির্বাচনে পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পান তামিম।

    বিকেল ৪টায় ভোট শেষ হওয়ার পরে ফল গণণা শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। প্রাপ্ত ভোটে ঢাকার ক্লাব থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম ও সাকেফ আহমেদ সালাম।

     

  • মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল

    মিসরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শেষ করলো ব্রাজিল

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্বকাপ শুরুর আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। স্থানীয় সময় শনিবার (৬ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সেলেসাওদের হয়ে গোল করেন ব্রুনো গিমারায়েস ও এনড্রিক। মিসরের একমাত্র গোলটি করেন জিকো।

    হান্টিংটন ব্যাংক ফিল্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। এর ফলও পায় দ্রুত। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে মিসরের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রুনো গিমারায়েস গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

    তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি ব্রাজিল। চার মিনিট পরই মার্কুইনহোসের ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে জিকো গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। এরপর বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখলেও প্রথমার্ধে আর গোল পায়নি কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

    বিরতির পর একাধিক পরিবর্তন এনে দলকে আরও গতিময় করে তোলেন আনচেলত্তি। এর সুফলও আসে দ্রুত। ম্যাচের ৫১ মিনিটে রাফিনহার নিচু ক্রস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন এনড্রিক। সেটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের জয়সূচক গোল।

    গোলের পরও আক্রমণ অব্যাহত রাখে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা ও লুইজ হেনরিক একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান আর বাড়ানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে শেষ দিকে মোহাম্মদ সালাহকে মাঠে নামিয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় মিসর। তবে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ দৃঢ় থাকায় আর কোনো গোল পায়নি আফ্রিকান প্রতিনিধিরা।

    ম্যাচটিতে ৬৪ হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিত ছিলেন। ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্কোয়াডের প্রায় সব খেলোয়াড়কে মাঠে নামিয়ে বিশ্বকাপের আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে নেন।

    এই জয়ের মধ্য দিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশ সময় আগামী ১৪ জুন ভোরে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসরের মূল পর্বে যাত্রা শুরু করবে ব্রাজিল।