Desk: খোকসা প্রতিনিধি

  • জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে পদকজয়ী দুই শিক্ষার্থীকে খোকসা সরকারি কলেজের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা

    জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে পদকজয়ী দুই শিক্ষার্থীকে খোকসা সরকারি কলেজের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা

    ৪০তম জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জনকারী খোকসা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির কৃতি শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ও তানজিদ হোসেনকে সংবর্ধনা দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    মঙ্গলবার কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শিশির কুমার রায়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কলেজের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    জানা যায়, ‘সাহেব আলী অ্যাথলেটিক’-এ প্রশিক্ষণ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে মোস্তাফিজুর রহমান ও তানজিদ হোসেন স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন। তাদের এই কৃতিত্বে খোকসা সরকারি কলেজের সুনাম আরও সমৃদ্ধ হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এ ধরনের সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে। কলেজের পক্ষ থেকে দুই কৃতি শিক্ষার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও শুভকামনা জানানো হয়।

    অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক শিশির কুমার রায় শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষা ও খেলাধুলা উভয় ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তারা কলেজের মুখ উজ্জ্বল করেছে। তিনি তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের আরও সাফল্য কামনা করেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনার আহ্বান জানান।

    শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মানে শুভেচ্ছা বিনিময় ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

  • জলবায়ু সচেতনতায় খোকসার শোমসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত 

    জলবায়ু সচেতনতায় খোকসার শোমসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত 

    জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে লেইস (LAIS) প্রজেক্টের আওতায় কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৯ জুন) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচির শুরুতে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়ে বিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতেই লেইস প্রজেক্টের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

    এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • খোকসায় পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডিং নিয়ে ক্ষোভ, ‘ভূতুড়ে বিলের’ অভিযোগ বহু গ্রাহকের

    খোকসায় পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডিং নিয়ে ক্ষোভ, ‘ভূতুড়ে বিলের’ অভিযোগ বহু গ্রাহকের

    কুষ্টিয়ার খোকসায় পল্লী বিদ্যুতের বিদ্যুৎ বিল ও মিটার রিডিং নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন গ্রাহকরা। তাদের দাবি, প্রকৃত মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে বিলে উল্লেখিত রিডিংয়ের মিল না থাকায় অনেকেই অতিরিক্ত বিলের বোঝা বহন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    সম্প্রতি এক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে বর্তমান মিটার রিডিং ৫ হাজার ২৬৫ ইউনিট দেখানো হয়। কিন্তু ২৪ জুন তোলা মিটারের ছবিতে রিডিং দেখা যায় ৫ হাজার ২৫৪ ইউনিট। অর্থাৎ বিলে দেখানো রিডিংয়ের চেয়েও ১১ ইউনিট কম ছিল মিটারের প্রকৃত রিডিং। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
    স্থানীয় একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরেই অনেক গ্রাহকের ক্ষেত্রে প্রকৃত রিডিং না নিয়ে অনুমাননির্ভর বা ভুল রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে। ফলে মাস শেষে গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে এবং অভিযোগ করেও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সমাধান মিলছে না।

    গ্রাহকদের দাবি, মিটার রিডাররা অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি মিটার না দেখেই রিডিং প্রদান করেন। এতে প্রকৃত ব্যবহারের সঙ্গে বিলের বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সঠিক রিডিং নিশ্চিত করার দাবি জানান।

    এ বিষয়ে খোকসা পল্লী বিদ্যুতের এজিএম (ট্রেনিং) বিদেশে অবস্থান করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জিএম ইসমাত কামাল বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    এলাকাবাসীর মতে, বিদ্যুৎ সেবার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মিটার রিডিং কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যথায় গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।