Category: সারাদেশ

  • ঈদের দিন গাজায় নগদ সহায়তা পৌঁছে দিল ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’

    ঈদের দিন গাজায় নগদ সহায়তা পৌঁছে দিল ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’

     

    নাফীজ আহমেদ ,ইবি

    পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দ যখন বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের ঘরে ঘরে, ঠিক তখনই যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় হাজারো পরিবার দিন পার করছে ক্ষুধা, আতঙ্ক ও মানবেতর কষ্টের মধ্যে। এমন বাস্তবতায় ঈদের দিনে গাজার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’।

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈদুল আযহার দিন গাজার কয়েকজন অসহায় মানুষের হাতে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে পাঁচজনের প্রত্যেককে ৫০ শেকেল করে সহায়তা প্রদান করা হয়।

    সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য সচিব রায়হান কবির বলেন, “গাজার মানুষের বর্তমান পরিস্থিতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ঈদের দিনে অন্তত কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি আমরা। এটি ছোট একটি উদ্যোগ হলেও মানবতার জায়গা থেকে আমাদের দায়িত্ববোধের প্রকাশ।”

    তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে বড় পরিসরে ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির। তবে পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে কাঙ্ক্ষিত পরিসরে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

    হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটির আহ্বায়ক আমির ফয়সাল বলেন, “আমাদের কাছে গাজায় কাজ করার মতো যোগাযোগ ও সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বড় উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ এগিয়ে এলে আমরা আরও অনেক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবো।”

    তিনি ফিলিস্তিনের মজলুম মানুষের জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

    এদিকে, এই মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে যারা অর্থ, শ্রম ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ‘হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি’।

  • ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় ‘প্রধানমন্ত্রী’ ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার চর্চাই কোরবানির মূল তাৎপর্য

    ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় ‘প্রধানমন্ত্রী’ ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার চর্চাই কোরবানির মূল তাৎপর্য

    স্পোর্টস ডেস্ক

    পবিত্র ঈদুল আজহার গুরুত্ব ও গভীর তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন যে, “কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়; বরং লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ আর মনের পশুত্বকে পরাভূত করার দীক্ষা গ্রহণের মধ্যেই নিহিত রয়েছে কোরবানির মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য।” বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল প্রান্তের মুসলিম উম্মাহকে ঈদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তাকওয়ার আদর্শ এবং নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার অনন্য বার্তা নিয়ে পুনরায় আমাদের দ্বারে উপস্থিত হয়েছে ঈদুল আজহা। দলমত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষকে তিনি “ঈদ মুবারক” জানিয়ে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শুধু পশু কোরবানি নয়- ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার চর্চাই কোরবানির মূল তাৎপর্য।

    পবিত্র কোরবানির শিক্ষা সম্পর্কে আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণের এই উৎসব আমাদের ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত করবে, সত্য ও সুন্দরের পথে ধাবিত করবে, এটিই হোক পবিত্র কোরবানির অন্যতম শিক্ষা।” সামর্থ্যবানদের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বিনীত অনুরোধ জানান যাতে তারা সুবিধাবঞ্চিতদের ভুলে না যান। তাঁর ভাষায়, “যাদের আল্লাহ এ বছর কোরবানি করার সামর্থ্য দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার বিনীত আবেদন, যাদের পশু কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য হয়নি, তাদের সঙ্গে কোরবানির মাংস ভাগাভাগি করে নিন।” এটিকেও তিনি কোরবানির একটি অপরিহার্য শিক্ষা হিসেবে গণ্য করেন।

    পরিবেশ সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করে বলেন, “কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য পরিষ্কারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সহায়তা করুন। যথাসম্ভব নিজেরাও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিন, যাতে কোরবানির দিনেই সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ফেলা যায়।” পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন বাংলাদেশসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। তাঁর প্রার্থনা ছিল, “পবিত্র ঈদে কায়মনোবাক্যে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের মাতৃভূমিসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব ও মানবজাতির জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা দান করেন।” একই সঙ্গে তিনি বৈশ্বিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার জন্যও স্রষ্টার দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন।

     

  • গোপালগঞ্জ পশুর হাটে পুলিশ সুপারের আকস্মিক পরিদর্শন ও নিরাপত্তা জোরদার

    গোপালগঞ্জ পশুর হাটে পুলিশ সুপারের আকস্মিক পরিদর্শন ও নিরাপত্তা জোরদার

    এম টি রহমান মাহমুদ, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

    ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে গোপালগঞ্জের পশুর হাটগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জ জেলার বৃহত্তম পশুর হাট হিসেবে পরিচিত মানিকদাহ হাউজিং প্রকল্প মাঠ পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো: হাবীবুল্লাহ।

    পরিদর্শনকালে জেলা পুলিশ সুপার হাটে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের যেকোনো সমস্যা তাৎক্ষণিক সমাধানের আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি হাট এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জাল নোট প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশি টহল আরও জোরদার করার কড়া নির্দেশ দেন।

    জাল নোট প্রতিরোধ হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন বসানো এবং প্রতারক চক্রের ওপর কড়া নজরদারি রাখার নির্দেশ।

    নিরাপদ লেনদেন: পশু ব্যবসায়ীরা যেন বিক্রির টাকা নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

    শৃঙ্খলারক্ষায় পুলিশ: মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারীদের তৎপরতা রোধে সাদা পোশাকে পুলিশের টহল বৃদ্ধি।

    উল্লেখ্য, মানিকদাহ হাউজিং প্রকল্পের এই হাটে প্রচুর দেশি গরুর সমাগম ঘটেছে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পুলিশ সুপারের এই পরিদর্শনের ফলে হাটের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের পশু বেচাকেনা করছেন।

    গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণ জেলা পুলিশের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী ও সুধীমহল। এবারের ঈদে গরুর মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ের মধ্যে ইনশাআল্লাহ!

  • যমুনায় ৫ দিনে বাড়ল ১১১ সেন্টিমিটার পানি

    যমুনায় ৫ দিনে বাড়ল ১১১ সেন্টিমিটার পানি

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত পাঁচ দিনে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ সদর পয়েন্টে ১১১ সেন্টিমিটার ও কাজিপুর পয়েন্টে ১১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি হয়েছে।

    বুধবার (২৭ মে) সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩ দশমিক ৩০ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৯০ মিটার)। এই পয়েন্টে ২৩ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত যথাক্রমে ২১, ২৮, ২০ ও ২৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়।

    অপরদিকে, কাজিপুরের মেঘাই পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩ দশমিক ৮৮ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ১৪ দশমিক ৮০ মিটার)। এই পয়েন্টে ২৩ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত যথাক্রমে ২৩, ৩৪, ১৬ ও ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়।

    সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, টানা ৫ দিন ধরে যমুনায় পানি বাড়ছে। আরও দুই থেকে তিনদিন পানি বাড়তে পারে। এরপর কয়েকদিন স্থির থাকবে। পরে কমতে থাকবে।

     

  • খোকসায় মধ্যরাতে ছিনতাইচেষ্টা, বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম

    খোকসায় মধ্যরাতে ছিনতাইচেষ্টা, বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম

    স্টাফ রিপোর্টার

    কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে বাবা ও মেয়েকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা।

    গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার মাসালিয়া গ্রামের আমতলা মোড়ে এই ভয়াবহ ছিনতাইচেষ্টার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা ঘটনাস্থলে পাশে থাকা তাদের একটি সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    ​আহতরা হলেন, উপজেলার রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা শেরমত সরদার ও তার মেয়ে জামিলা খাতুন জিম (১৮)। জিম ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।

    ​স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে আসা মেয়ে জিমকে বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়ে ভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন শেরমত সরদার। পথি মধ্যে মাসালিয়া গ্রামের আমতলা মোড়ে পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা মুখোশ পরা তিন যুবক ধারালো দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের পথরোধ করে বলে জানা যায়। দুর্বৃত্তরা শেরমত সরদারের গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে সবকিছু ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।

    ​এ সময় আতঙ্কিত না হয়ে শেরমত সরদার চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের বাড়ির মানুষ ছুটে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে দুর্বৃত্তরা বাবা ও মেয়েকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    ​এদিকে এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার কিছু দূর সটকে পড়া একটি মোটরসাইকেল দেখতে পেয়ে সেটিকে হামলাকারীদের ব্যবহৃত বলে সন্দেহ করে উত্তেজিত জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে ডায়াং ব্র্যান্ডের ৮০ সিসি (নম্বর: ঝিনাইদহ হ-১১-৮৫৮১) মোটরসাইকেলটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

    ​খবর পেয়ে খোকসা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটির সূত্র ধরে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে জোর তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পারাবত এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা, ছাদ থেকে পড়ে আহত একাধিক যাত্রী

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পারাবত এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা, ছাদ থেকে পড়ে আহত একাধিক যাত্রী

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে সিলেটগামী আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।

    বুধবার সকালে ট্রেনটির ছাদে থাকা কয়েকজন যাত্রী নিচে পড়ে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পারাবত এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন অতিক্রম করার সময় হুড়োহুড়ি ও ভারসাম্য হারিয়ে কয়েকজন ছাদ থেকে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    অন্যদিকে সাম্প্রতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের সময় গাছের ডালের সঙ্গে ধাক্কা লেগে একাধিক যাত্রী আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

    ঘটনার পর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আহতের সঠিক সংখ্যা ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    রেলওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি এড়াতে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

  • ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ৪৭ কিলোমিটার যেন মৃত্যুফাঁদ

    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ৪৭ কিলোমিটার যেন মৃত্যুফাঁদ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশ এখন যেন আতঙ্কের আরেক নাম। খানাখন্দে ভরা এই সড়কে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো যাত্রী ও চালক। কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও জমে থাকা বৃষ্টির পানি-সব মিলিয়ে মহাসড়কটি ধীরে ধীরে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে মাদারীপুরের কালকিনির ভুরঘাটা পর্যন্ত প্রায় ৪৭ কিলোমিটার সড়ক মাদারীপুর সড়ক বিভাগের আওতায়। গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন অংশে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। এতে যেমন যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।

    মহাসড়কের অধিকাংশ অংশে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পানি জমে থাকায় গর্তের গভীরতা বোঝা যাচ্ছে না। ফলে ঝুঁকি নিয়েই যানবাহন চালাতে হচ্ছে চালকদের। ভুরঘাটা, পাথুরিয়ারপাড়, কর্ণপাড়া, ভাঙ্গাসেতু, তাঁতিবাড়ি, মোস্তফাপুর, ঘটকচর, সমাদ্দার, সানেরপাড়, রাজৈর, টেকেরহাট, দিকনগর, ছাগলছিড়া, বরইতলা ও বাবনাতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য এই মহাসড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা ছাড়াও মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জের লাখো মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালুর পর সড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে সড়কের উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টদের।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর সংস্কারের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে তা বেশি দিন টেকে না। সড়ক বিভাগ ইট, বালু ও সুরকি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সাময়িকভাবে মেরামত করলেও বৃষ্টিতে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

    দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বাসযাত্রী আসলাম অনিক বলেন, এই সড়কে বাসে উঠলেই মাথাব্যথা শুরু হয়। একটু পরপর গর্ত। কবে যে এই দুর্ভোগ শেষ হবে, জানি না।

    বেসরকারি বিমা প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মজনু বলেন, বরিশাল থেকে মাদারীপুর অংশে ঢুকলেই আতঙ্ক শুরু হয়। কখন দুর্ঘটনায় পড়ি, সেই ভয় থাকে। সময়মতো গন্তব্যেও পৌঁছানো যায় না।

    মাইক্রোবাসচালক তুষার বলেন, রাস্তাটির অবস্থা খুব খারাপ। গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।

    পিকআপচালক জাহাঙ্গীর বলেন, ভাঙ্গা থেকে ভুরঘাটা পর্যন্ত প্রায় সবখানেই বড় বড় গর্ত। এই রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ছি।

    চন্দ্রা পরিবহনের চালক লিটন বলেন, গর্তের কারণে প্রায়ই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। সড়কটি ভালোভাবে মেরামত করা হলে যাতায়াত অনেক সহজ হতো।

    মোস্তফাপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম রসুল বলেন, অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। রাস্তা সরু হওয়া এবং অবৈধ পরিবহনের কারণেও দুর্ঘটনা ঘটছে।

    এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের মাদারীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে ইট, বালু ও সুরকি দিয়ে মেরামতের কাজ চলছে। টেকসই সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় আছি।

    তিনি আরও বলেন, বরাদ্দ অনুমোদন হলে সড়কের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। তা বাস্তবায়িত হলে যাত্রীরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবেন।

  • সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদুল আজহা উদযাপন

    সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদুল আজহা উদযাপন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বুধবার (২৭ মে) দেশের বিভিন্ন জেলার অনেক মানুষ আগাম পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন। লক্ষ্মীপুর, ধামরাই, মাদারীপুর, চাঁদপুর, সাতক্ষীরা, জামালপুর, নওগাঁ, বগুড়া ও ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন এলাকায় পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    নোয়াখালী

    বেগমগঞ্জ ও সদর উপজেলার তিন গ্রামের বাসিন্দারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আযহা উদযাপন করেছেন। জামাতে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মুসল্লি অংশ নেন। অন্যদিকে ফাজিলপুর দায়রা বাড়ী জামে মসজিদে ইমামতি করেন মাওলানা সাইফুর রহমান। সেখানে অংশ নেন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন মুসল্লি।

    লক্ষ্মীপুর

    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ ও রায়পুর উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করেন। সকাল ৭টায় রামগঞ্জের জাহাঙ্গীর টাওয়ারস্থ খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া রামগঞ্জ শাখায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। স্থানীয়রা জানান, মাওলানা ইসহাক (রহ.)-এর অনুসারীরা দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে এ নিয়মে ঈদ পালন করে আসছেন।

    ধামরাই

    ঢাকার ধামরাইয়ে শরীফবাগ এলাকায় একটি বাড়িতে সকাল ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে নারী-পুরুষসহ প্রায় ৫০ জন অংশ নেন। ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী। আয়োজকরা জানান, পাঁচ বছর ধরে তারা স্থানীয়ভাবে ঈদের নামাজ আদায় করছেন।

    মাদারীপুর

    মাদারীপুরের অন্তত ৪০ গ্রামের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করেন। সদর উপজেলার চর কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ৯টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন হাজারো মুসল্লি। সুরেশ্বর দরবার শরীফের অনুসারীরা প্রায় ২০০ বছর ধরে এভাবে ঈদ পালন করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

    চাঁদপুর

    চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ ও মতলবসহ অন্তত ৪০ গ্রামের মানুষ সাদ্রা দরবার শরীফের অনুসরণে আগাম ঈদ পালন করেন। সকাল সাড়ে ৮টায় সাদ্রা দরবার শরীফে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, ১৯২৮ সাল থেকে এ ধারা চলে আসছে।

    সাতক্ষীরা

    সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ভাদড়া বাউখোলা এলাকায় আহলে হাদিসের একটি অংশের উদ্যোগে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্তত ২৫ গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন। গত এক যুগ ধরে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছেন।

    জামালপুর

    জামালপুরের সরিষাবাড়ী, ইসলামপুর ও মাদারগঞ্জ উপজেলার অন্তত ১৬টি গ্রামে পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টির কারণে কোথাও বাড়িতে, কোথাও মসজিদে নামাজ আদায় করা হয়। নামাজ শেষে দেশ-জাতির শান্তি কামনায় দোয়া করা হয়।

    নওগাঁ

    নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর পৌরসভার কলনিপাড়া এলাকায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়। এতে নওগাঁ ও পার্শ্ববর্তী জেলার মুসল্লিরাও অংশ নেন। আয়োজকরা জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে তারা এভাবে ঈদ পালন করছেন।

    বগুড়া

    বগুড়ার গাবতলী, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার কয়েকটি এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করা হয়। গাবতলীর রেলস্টেশন-সংলগ্ন মসজিদে অর্ধশতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। স্থানীয়রা জানান, এটি তাদের চতুর্থবারের মতো আগাম ঈদ পালন।

    ঝালকাঠি

    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ডহরশংকর গ্রামে প্রায় ৫০টির বেশি পরিবার ঈদ উদযাপন করেন। দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের ঈদগাহে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সাল থেকে তারা এভাবে ঈদ পালন করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

    সব জায়গাতেই নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং কোরবানির প্রস্তুতি নেন।

  • ফরিদপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    ফরিদপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    শাহ্ জালাল ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের পোড়াদিয়া এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে আব্দুল আউয়াল (৬০) নামের এক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে পোড়াদিয়া রেললাইনের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নকশীকাঁথা ট্রেনটি ভাঙা হয়ে ফরিদপুরের দিকে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে খণ্ডিত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    প্রথমদিকে নিহতের পরিচয় জানা না গেলেও পরে পুলিশ তার পরিচয় শনাক্ত করে। নিহত আব্দুল আউয়ালের বাড়ি উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে। তিনি মৃত বাছের মিয়ার ছেলে।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নগরকান্দা থানার ওসি রাসুল সামদানি আজাদ। তিনি বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া থেকে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

    পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া থেকে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

    শফিউল্লাহ রিপন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ময়নাগুড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে পরিত্যক্ত পুরাতন একটি মর্টার শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    জানা যায় (গত ২৫ মে ২০২৬) সোমবার বাংলার চর নামক স্থানে করতোয়া নদী হতে দুপুর আড়াই টায় পুরাতন পরিত্যক্ত একটি ৮২ মিঃ মিঃ মর্টার শেল বালু-পাথর উত্তোলনাকারী শ্রমিকদের নেটে উঠে আসে।

    বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) এর ময়নাগুড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় বিজিবি টহলদলকে জানালে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার হওয়া বস্তুটি একটি পুরাতন মর্টার সেল নিশ্চিত হন। যার ঘটনাস্থল সীমান্ত পিলার ৪২৫ হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

    বিজিবি উদ্ধার হওয়া মর্টার শেল বিষয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ২৫ মে ২০২৬ দিবাগত গভীর রাতে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. লাইছুর রহমান জানান , উদ্ধার হওয়া মর্টার সেলটি মরিচাযুক্ত অনেক দিনের পুরাতন এবং গায়ে কোন লিখা বুঝা যাচ্ছে না। মর্টার শেলটি জিডিমুলে আদালতকে জানিয়ে নিস্কীয় করার জন্য রংপুর সেনাবাহিনী বোম ডিসপোসাল ইউনিটকে অবহিত করা হয়েছে।